গাঁজন বলতে কী বোঝায়?
Share
Join ProshnoUttor today! Ask, answer, and share knowledge—earn points, revenue, and rewards while learning with a global community. Sign up now and start your journey!
Welcome back to ProshnoUttor! Log in to explore, contribute, and earn rewards while learning with our global community. Let’s get started!
Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.
Please briefly explain why you feel this question should be reported.
Please briefly explain why you feel this answer should be reported.
Please briefly explain why you feel this user should be reported.
গাঁজন হলো একটি অবাত শ্বসন প্রক্রিয়া। এর মানে হলো, এই প্রক্রিয়াটি অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে ঘটে। গাঁজনে জটিল জৈব যৌগ, বিশেষ করে শর্করা (যেমন গ্লুকোজ), বিভিন্ন এনজাইম এর সহায়তায় ভেঙে সরল অণু তৈরি করে এবং এর সাথে সাথে শক্তি উৎপন্ন হয়। তবে সবাত শ্বসনের তুলনায় গাঁজনে উৎপন্ন শক্তির পরিমাণ অনেক কম।
সহজভাবে বলতে গেলে, গাঁজন হলো অক্সিজেনের সাহায্য ছাড়াই জীবাণু (যেমন কিছু ব্যাকটেরিয়া ও ঈস্ট) কর্তৃক শর্করা বা অন্যান্য জৈব যৌগকে ভেঙে ফেলে শক্তি তৈরি করার পদ্ধতি। এই প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন উপজাত তৈরি হতে পারে, যেমন অ্যালকোহল (ইথানল), ল্যাকটিক অ্যাসিড, কার্বন ডাই অক্সাইড ইত্যাদি।
বিভিন্ন প্রকার গাঁজন দেখা যায়, যেমন:
গাঁজন প্রক্রিয়া খাদ্য উৎপাদন এবং অন্যান্য শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দই, পনির, রুটি, অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় ইত্যাদি তৈরিতে গাঁজন প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয়।
গাঁজন হল একটি শ্বাস-প্রশ্বাস সম্পর্কিত প্রক্রিয়া, যেখানে অক্সিজেনের অভাবে কিছু জীবাণু এবং উচ্চতর উদ্ভিদ কিছু রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটিয়ে শক্তি উৎপাদন করে। এটি একটি শক্তি উৎপাদন প্রক্রিয়া, যা অ্যারোবিক শ্বাস-প্রশ্বাসের (অক্সিজেন ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদন) বিকল্প হিসেবে কাজ করে, যখন পর্যাপ্ত অক্সিজেন উপস্থিত থাকে না।
গাঁজনের প্রক্রিয়া:
গাঁজনের মধ্যে সাধারণত শর্করা (যেমন গ্লুকোজ) বিশ্লেষিত হয় এবং তার থেকে শক্তি উৎপাদিত হয়। এই প্রক্রিয়ায়, গ্লুকোজের সম্পূর্ণ অক্সিডেশন না হয়ে আংশিক অক্সিডেশন ঘটে এবং আথেনল (অ্যালকোহল) বা ল্যাকটিক অ্যাসিড তৈরি হয়।
গাঁজনের দুটি প্রধান ধরন:
অ্যালকোহলিক গাঁজন:
এই প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ থেকে এথানল (অ্যালকোহল) এবং কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন হয়। সাধারণত এই প্রক্রিয়া শৈল্পিক বা পানীয় প্রস্তুত করতে ব্যবহৃত হয়, যেমন মদ বা বিয়ার তৈরি।
সমীকরণ:
C6H12O6→2C2H5OH+2CO2
(গ্লুকোজ → এথানল + কার্বন ডাই অক্সাইড)
ল্যাকটিক অ্যাসিড গাঁজন:
এই প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ থেকে ল্যাকটিক অ্যাসিড উৎপন্ন হয়। এই প্রক্রিয়া মানব দেহের পেশী কোষে ঘটে, যখন অক্সিজেনের অভাব থাকে, যেমন তীব্র শারীরিক পরিশ্রমের সময়।
সমীকরণ:
C6H12O6→2C3H6O3
(গ্লুকোজ → ল্যাকটিক অ্যাসিড)
গাঁজনের গুরুত্ব:
শক্তির উৎস: গাঁজন হল শক্তি উৎপাদনের একটি বিকল্প উপায়, যখন অক্সিজেন কম বা অনুপস্থিত থাকে।
খাদ্য ও পানীয় প্রস্তুত: গাঁজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয় যেমন দই, মদ, ভাত, রুটি, ইত্যাদি প্রস্তুত করা হয়।
জীববিজ্ঞানী গবেষণায়: গাঁজনের প্রক্রিয়া জীববিজ্ঞানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ এটি জীবজগতের শক্তি উৎপাদন এবং কোষীয় কর্মকাণ্ডে সহায়ক।